বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ||
  • প্রচ্ছদ
  • আন্তর্জাতিক >> ধর্ম
  • নামাজের ফরজ ও ওয়াজিব
  • নামাজের ফরজ ও ওয়াজিব

    নামাজ ফরজ ইবাদত। নামাজ বেহেশতের চাবি। নামাজ ছাড়া জান্নাতে যাওয়া সম্ভব নয়। নামাজের শাব্দিক অর্থ দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা, রহমত ইত্যাদি। নামাজের আরবি হল সলাত।নামাজের কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। তারমধ্যে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও মুস্তাহাব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

    নামাজের কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। তারমধ্যে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও মুস্তাহাব বিষয় রয়েছে।

    ওয়াজিব

    ওয়াজিব এটি আরবি শব্দ। وَاجِبٌ মুসলিম সমাজে বহুল ব্যবহৃত আরবি শব্দ। বাংলায় ওয়াজিব এর অর্থ কর্তব্য। যার উপর আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি পেতে হবে। ছেড়ে দিলে অবশ্যই কাযা বা আদায় করে নিতেই হবে। অন্যথায় গুনাহের অধিকারী হবে।

    ওয়াজিব অর্থ কি

    শরিয়তের পরিভাষায় যা করার আদেশ জন্নি দলিল তথা ফরজের তুলনায় দুর্বল দলিলের মাধ্যমে প্রমাণিত, তাকে ওয়াজিব বলে। ফরজের পরই ওয়াজিব এর স্থান।

    ওয়াজিব শব্দের অর্থ কিবাংলায় ওয়াজিব এর অর্থ কর্তব্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, যা করার আদেশ জন্নি দলিল তথা ফরজের তুলনায় দুর্বল দলিলের মাধ্যমে প্রমাণিত, তাকে ওয়াজিব বলে।

    নামাজের ওয়াজিব গুলো কি কি

    নামাজের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া।১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।ওয়াজিব বিষয়ে হাদিস

    হযরত আলী ইবনু আবদুল্লাহ রহ. আমর ইবনু সুলাইম আনসারি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু সায়িদ খুদরি রা. বলেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিন প্রত্যেক বালিগের জন্য গোসল করা কর্তব্য। আর মিসওয়াক করবে ও সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে। আমর (ইবনু সুলাইম) রহ. বলেন, গোসল সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি তা কর্তব্য। কিন্তু মিসওয়াক ও সুগন্ধি কর্তব্য কিনা তা আল্লাহই ভাল জানেন। তবে হাদিসে এরূপই আছে। (বুখারি ৮৮০)

     ওয়াজিব কাজ কি কি,ওয়াজিবও ফরজের মত অবশ্য পালনীয়। তবে গুরুত্বের দিক থেকে ফরজের পরে ওয়াজিবের স্থান। বিনা কারণে তা পরিত্যাগ করলে ফাসিক হবে। কঠিন শাস্তিযোগ্য অপরাধী বলে বিবেচিত হবে। কবিরা গুনাহ বা বড় গুনাহ হবে। যে একটি গুনাহই জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবে ওয়াজিব ওজরবশত ছুটে গেলে পরে কাজা করে নিতে হবে।
     
    শরিয়তে ওয়াজিব বিধানকে গুরুত্বহীন মনে করা সরাসরি গোমরাহি। তবে কোনরূপ তাবিলের আশ্রয় নিয়ে অথবা সন্দেহ মূলে ওয়াজিবকে ইনকার (অস্বীকার) করলে কাফির হবে না। যেমন বিতরের তিন রাকাআত নামাজ। নামাজের প্রত্যেক রাকআতে সুরা ফাতিহা পড়া।
     নামাজের ওয়াজিব কয়টি ও কি কি

    নামাজের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া। ১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।

    নামাজের ওয়াজিব কয়টি
    নামাজের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা। ৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া।
     ১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।
     
    নামাজের ওয়াজিবনামাজের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া। ১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।

    নামাজের ফরজ ওয়াজিব কয়টি

    নামাজের ফরজ মোট ১৩টি। আহকাম ৭ টি। আরকান ৬ টি। নামাজের বাহিরের কাজগুলিকে আহকাম বলে। আর নামাজের ভিতরের কাজগুলোকে আরকান বলে।

     নামাজের বাইরে ৭ ফরজ
    ১. শরীর পবিত্র হওয়া। ২. কাপড় পবিত্র হওয়া। ৩. নামাজের জায়গা পবিত্র হওয়া। ৪. সতর ঢাকা থাকা (পুরুষের সতর নাভি থেকে হাঁটু, নারীদের সতর হাতের কব্জি পায়ের পাতা ও মুখ ছাড়া পুরো দেহ)। ৫. কিবলামুখী হওয়া। ৬. ওয়াক্তমত নামাজ আদায় করা ৭. নামাজের নিয়ত করা।
     নামাজের ভিতরে ৬ ফরজ
    ১. তাকবিরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলে নামাজ শুরু করা। ২. দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া। ৩. সুরা ফাতিহার সাথে কুরআন পড়া। ৪. রুকু করা। ৫. দুই সিজদা করা। ৬. শেষ বৈঠক করা।
     সালাতের ওয়াজিব কয়টি
    সালাতের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।
     ৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া
    ১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।
     নামাজের ফরজ ওয়াজিব ও সুন্নতনামাজের ফরজ মোট ১৩টি। আহকাম ৭ টি। আরকান ৬ টি। নামাজের বাহিরের কাজগুলিকে আহকাম বলে। আর নামাজের ভিতরের কাজগুলোকে আরকান বলে।

     নামাজের বাইরে ৭ ফরজ। ১. শরীর পবিত্র হওয়া। ২. কাপড় পবিত্র হওয়া। ৩. নামাজের জায়গা পবিত্র হওয়া। ৪. সতর ঢাকা থাকা (পুরুষের সতর নাভি থেকে হাঁটু, নারীদের সতর হাতের কব্জি পায়ের পাতা ও মুখ ছাড়া পুরো দেহ)। ৫. কিবলামুখী হওয়া। ৬. ওয়াক্তমত নামাজ আদায় করা ৭. নামাজের নিয়ত করা।
     নামাজের ভিতরে ৬ ফরজ। ১. তাকবিরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলে নামাজ শুরু করা। ২. দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া। ৩. সুরা ফাতিহার সাথে কুরআন পড়া। ৪. রুকু করা। ৫. দুই সিজদা করা। ৬. শেষ বৈঠক করা।
     
    নামাজের ওয়াজিব ১৪টি। ১. সুরা ফাতিহা পড়া। ২. সুরা ফাতিহার পর সুরা মিলানো। ৩. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ৪. কিরাআত, রুকু, সিজদার মধ্যে তরতিব ঠিক রাখা। ৫. রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো। ৬. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।৭. রুকু, সিজদা, দাঁড়ানো ও বৈঠকে কমপক্ষে এক তাসবিহ পরিমাণ স্থির থাকা।  ৮. তিন বা চার রাকাআত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাআত পর আত্তাহিয়াতু পড়া বা সম-পরিমাণ সময় বসা। ৯. প্রথম ও শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়াতু পড়া। ১০. ফজর, মাগরিব ও এশার নামাজের প্রথম দুই রাকাআতে ইমামের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া, জোহর, আসর নামাজের মধ্যে ইমাম ও একাকী নামাজির অনুচ্চ শব্দে কিরাআত পড়া।
     ১১. সালাম ফিরানো। ১২. বিতরের নামাজের দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১৩. দুই ঈদের নামাজে ছয় তাকবির বলা। ১৪. প্রত্যেক রাকাআতের ফরজ ও ওয়াজিবগুলোর তরতিব ঠিক রাখা।
     
    নূরানী পদ্ধতিতে নামাজের ওয়াজিবনামাজের ওয়াজিব ১৪ টি। ১. আলহামদু শরিফ পুরা পড়া। ২. আলহামদুর সঙ্গে সুরা মিলানো। ৩. রুকু সিজদায় দেরি করা। ৪. রুকু হইতে সোজা খাড়া হওয়া। ৫. দুই সেজদার মাঝখানে সোজা হইয়া বসা। ৬. দরমিয়ানি বৈঠক। ৭. উভয় বৈঠকে আওাহিয়্যাতু পড়া। ৮. ইমামের জন্য কিরাত আস্তের জায়গায় আস্তে পড়া,জোরের জায়গায় জোরে পড়া। ৯. বিতরের নামাজে দোয়ায়ে কুনুত পড়া। ১০. দুই ঈদের নামাজে ছয় ছয় তাকবীর বলা। ১১. প্রত্যেক ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকাতকে কিরাতের জন্য নির্ধারিত করা। ১২. প্রত্যেক রাকাতের ফরজগুলির তরতিব ঠিক রাখা। ১৩. প্রত্যেক রাকাতের ওয়াজিবগুলির তরতিব ঠিক রাখা। ১৪. আাসসালামু আলাইকুম বলে নামাজ শেষ করা।

    বিতরের নামাজ কি ওয়াজিববিতির নামাজ ওয়াজিব। হযরত আবু হানিফা রহ. বলেছেন, ‘এটি ওয়াজিব।’ নিম্নে কয়েকটি হাদিসের মাধ্যমে ওয়াজিব হওয়ার দলিল দেয়া হলো।হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ওহে আহলে কুরআন, তোমরা বিতির (বেজোড়) নামাজ আদায় কর। কারণ নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন- বেজোড়। তিনি বেজোড়কে পছন্দ করেন। (আবু দাউদ ১৪১৬ নাসায়ি ১৮৭৮ ইবনু মাজাহ ১১৬৯)হযরত বুরাইদা রা. থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, বিতির নামাজ অপরিহার্য। যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বিতর নামাজ অপরিহার্য। যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বিতর নামাজ অপরিহার্য। যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (আবু দাউদ ১৪২০)

    বিতির ওয়াজিব বিধায় কেউ যদি সময় মত না পড়ে তাহলে কাজা করতে হয়। এ মর্মে আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিদ্রা বা ভুলের কারণে বিতিরের নামাজ আদায় করে নাই, সে যেন তা স্মরণ হওয়ার পরপরই আদায় করে নেয়।’ (আবু দাউদ ১৪৩১)
     ওযুর ফরজ ৪টি
    ওযুর ফরজ চারটি। ১. একবার সমস্ত চেহারা ধুয়া। ২. দু’হাত অন্তত একবার কনুই পর্যন্ত ধুয়া। ৩. একবার মাথার এক চতুর্থাংশ মাসেহ করা। ৪. একবার দু’পা টাখনু পর্যন্ত ধুয়া।
     ওযুর ওয়াজিব কয়টি
    ওযুর ফরজ রয়েছে। সুন্নাত রয়েছে। মুস্তাহাব রয়েছে। কিন্তু ওয়াজিব নাই। তবে অযু করা ওয়াজিব হয় তখনই যখন কেউ পবিত্র কাবা ঘরের তাওয়াফ করার ইচ্ছে করে। (তিরমিজি, হাদিস : ৮৮৩) ওযুর ফরজ আছে চারটি। চারটি। ১. একবার সমস্ত চেহারা ধুয়া। ২. দু’হাত অন্তত একবার কনুই পর্যন্ত ধুয়া। ৩. একবার মাথার এক চতুর্থাংশ মাসেহ করা। ৪. একবার দু’পা টাখনু পর্যন্ত ধুয়া।
     ওযুর ওয়াজিব কয়টি ও কি কি
    ওযুর ফরজ রয়েছে। সুন্নাত রয়েছে। মুস্তাহাব রয়েছে। কিন্তু ওয়াজিব নাই। তবে অযু করা ওয়াজিব হয় তখনই যখন কেউ পবিত্র কাবা ঘরের তাওয়াফ করার ইচ্ছে করে। (তিরমিজি, হাদিস : ৮৮৩)
     ওযুর সুন্নতসমূহ১. মেসওয়াক করা। এর স্থান হচ্ছে- গড়গড়ার সময়। যাতে করে মেসওয়াক ও গড়গড়ার মাধ্যমে মুখ পরিষ্কার করা যায়। ২. ওযুর শুরুতে চেহারা ধৌত করার আগে হাতের কব্জিদ্বয় তিনবার ধৌত করা। ৩. চেহারা ধৌত করার আগে গড়গড়া কুলি ও নাকে পানি দেয়া। ৪. পানি দিয়ে ঘন দাঁড়ি খিলাল করা; যাতে করে ভেতরে পানি ঢুকে। দুই হাত ও দুই পায়ের আঙ্গুলগুলো খিলাল করা। ৫. ডান হাত ও ডান পা দিয়ে শুরু করা। ৬. মুখমণ্ডল, হস্তদ্বয় ও পা-যুগল ধৌত করার ক্ষেত্রে একবারের অধিক তিনবার ধৌত করা।

     ওযু ভঙ্গের কারণ
    ১. প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোন কিছু বের হওয়া। ২. শরীরের কোন স্থান দিয়ে রক্ত বা পুঁজ বের হয়ে গড়িয়ে পড়া। ৩. মুখ ভরে কমি হওয়া। ৪. শুয়ে বা হেলান দিয়ে নিদ্রা যাওয়া। ৫. নেশাগ্রস্ত হওয়া। ৬. পাগল হওয়া। ৭. অজ্ঞান হওয়া। ৮. রুকু-সিজদাহ বিশিষ্ট নামাজ উচ্চ স্বরে হেসে ফেলা।

    আরও পড়ুন

    error: Please Contact: 01822 976776 !!