শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ||
  • প্রচ্ছদ
  • ফেনী
  • ফেনীতে স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে বসছে জমজমাট পশুর হাট
  • ফেনীতে স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে বসছে জমজমাট পশুর হাট

    করোনা ভাইরাস ঝুঁকির মধ্যে ফেনীতে স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে বসছে জমজমাট সাপ্তাহিক পশুর হাট ।আর বাজারে পশু আমদানি ব্যপক হলেও ক্রেতার সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম থাকায় বেচাকেনা হচ্ছে খুবই কম। ফলে খামারী ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে।এরমাঝে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলছেন পশু বিক্রেতারা।

    জেলার সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের বক্তারমুন্সি বাজারে সাপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার বসে পশুর বাজার। স্থানীয় রুহুল আমিন ও নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, করোনা প্রভাবে জেলায় ব্যপক প্রাণহানীর ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের নজরদারী না থাকায় এখানে কোন স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ফলে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা থেকে অন্যস্থানে ভাইরাসটি ব্যপক ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন তারা।

    পশু বিক্রেতা সাহাব উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে সহ বন্ধ সামাজিক অনুষ্ঠান। ফলে কোরবানিকে ঘিরে ব্যপক পশু চাহিদা হওয়ার কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না।বরং পশুর দাম কম চাইলেও ক্রেতারা কিনছে না এবং তাদের উপস্থিত সংখ্যাও ছিলো কম। পাশাপাশি সীমান্তপথে গরু এলে বড় লোকসান আশংকা করছেন বিক্রেতারা।

    অন্যদিকে গরুর হাটকে কেন্দ্র করে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সচেতনতার জন্য বলা হলেও অনেকেই মানছে না। পাশাপাশি হাটে পশু বিকিকিনি কম থাকায় আর্থিক ক্ষতির স্বীকার হচ্ছেন বলে জানান বক্তারমুন্সি বাজার ইজারাদার মোশারফ হোসেন বাদল।তার দাবী সরকারী ভাবে প্রনোদনার ব্যবস্থা না হলে তারা বিপাকে পড়বেন।

    জেলায় ছোট বড় খামারী রয়েছেন অন্তত চার হাজার।আর পশু চাহিদা রয়েছে ৭২ হাজার। তবে কৃত্তিম ভাবে মোটাতাজা করে বাজারে যেনো গরু তোলা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে বলছেন ফেনীর প্রাণী সম্পদ বিভাগ।

    জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান জানান,হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে স্বস্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।তারা মাঠে কাজ করছেন।

    তবে সচেতন মহলের দাবী করোনায় স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার্থে এবং যেকোন অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের বাড়তি জোরদার ব্যবস্থা নিতে হবে।

    আরও পড়ুন

    error: Please Contact: 01822 976776 !!