বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ||
  • প্রচ্ছদ
  • দাগনভূঞা >> ফেনী
  • বাড়ি “লকডাউন”করতে গিয়ে জানা যায় করোনা আক্রান্তরা মার্কেটে,মসজিদেসহ অন্যত্র
  • বাড়ি “লকডাউন”করতে গিয়ে জানা যায় করোনা আক্রান্তরা মার্কেটে,মসজিদেসহ অন্যত্র

    ফেনীর দাগনভূঞায় মঙ্গলবার নতুন করে ৮ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে পৌর এলাকায় চারজন, মাতুভূঞা ইউনিয়নের তিনজন ও জায়লস্কর ইউনিয়ন একজন রয়েছে। নতুন শনাক্তের খবর পেয়ে সকালে আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন করতে যায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারা সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান পৌর এলাকার নতুন আক্রান্তের ৪ জনের মধ্যে তিনজনেই বাড়িতে নেই। এদের একজন মার্কেটিং এ, একজন মসজিদে ও একজন বাসা ছেড়ে বরিশালে গমন করেছেন।

    দাগনভূঞা পৌর মেয়র ওমর ফারুক খান জানান, ‘আজ পৌর এলাকায় চারজনের করোনা ফলাফল পজিটিভ আসে। এদের মধ্যে একজন মোল্লা বাড়ির মোস্তফা মিয়া। উনার বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে দেখা যায় উনি ওই মুহূর্তে মসজিদে অবস্থান করছেন। এছাড়া হাসপাতাল রোডে ভুইয়া ম্যানসনে ঔষধ কোম্পানির সেলস এক্সিকিউটিভ মনির হোসেনের করেনা শনাক্ত হয়। তার বাসা লকডাউন করতে গিয়ে দেখা যায় তিনি কর্মস্থলে (মার্কেটিং এ) রয়েছেন। একই বাসার অপরজন সেলস এক্সিকিউটিভ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। তিনি ইতোমধ্যে বরিশাল নিজ এলাকায় চলে গেছেন।’
    মেয়র আরো জানান, ‘গত কয়েক দিনে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। নমুনা দিয়ে ব্যক্তিরা ঘরে না থেকে কেউ কর্মস্থলে, কেউ বাজারে, কেউ সেলুনে অবস্থান করছেন। বেশিরভাগ বাড়ি লকডাউন করতে যেয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুবাইয়েত বিন করিম জানান, ‘যারা নমুনা দিয়েছেন তারা অবশ্যই নমুনা দেওয়ার পর হোম কোয়ারেন্টাইন এ থাকবেন। আমরা যখন নমুনা ফলাফল পজিটিভ আসা ব্যক্তির বাড়ির লোকজন করতে যাই তখন তাদেরকে দেখা যায় অন্যত্র অবস্থান করছেন। যা খুবই বিপদজনক। এক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা সমাজকে আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে যারা নমুনা দিয়েছেন সকলে নিজ দায়িত্বে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকুন। তাহলে আপনি সুরক্ষিত থাকবেন অপরকেও সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।’
    প্রসঙ্গত, গত ১০ জুন নতুন আক্রান্ত তিনজনের নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    আরও পড়ুন

    error: Please Contact: 01822 976776 !!